দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ মামলা দায়ের করেনি। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ১৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মমিনুজ্জামান। তিনি জানান, বারবার অনুরোধ করার পরও এখনো কোনো পক্ষ এজাহার জমা দেয়নি। এজাহার জমা পড়লেই মামলা নথিভুক্ত করা হবে। আটক ব্যক্তিরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না তা যাচাই করা হচ্ছে।
এর আগে সোমবার ঈশ্বরদীর রেলগেট ও পোস্ট অফিস মোড় এলাকায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মেহেদী হাসান ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইমরুল কায়েস সুমনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মেহেদী হাসান বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টুর ছোট ভাই এবং ইমরুল কায়েস সুমন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব সমর্থিত প্রার্থী শিবিরের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষের আগে এক পক্ষের এক নেতাকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠে, যা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের সময় হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্বাচনী কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় এবং অন্তত ১৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও ৬টিতে আগুন দেওয়া হয়। এতে পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এমএস/